Dhaka সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষাব্যবস্থা চীন-পশ্চিমা দেশের মতো করতে চাই: শিক্ষামন্ত্রী

সাহিত্যপাতা
  • প্রকাশের সময় ১০:৫৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২০ বার দেখা হয়েছে

দেশের শিক্ষাব্যবস্থা চীন অথবা পশ্চিমা দেশগুলোর মতো করে দেখানোর অঙ্গীকার করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে চীন বা পশ্চিমা দেশগুলোর মতো উন্নত করতে চাই এবং আমরা তা করে দেখাবো। এটিই আমাদের মিশন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে তৃতীয় ঢাকা-চায়না ডে উদযাপন অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আগে এটি আমাদের জিডিপির মাত্র ১.৩৯ শতাংশ ছিল, এখন আমরা অনেক বেশি পেয়েছি। প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তিনি এ বাজেট ৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করবেন। তাই বাজেট আমাদের কোনো সমস্যা নয়। এহছানুল হক মিলন বলেন, আমরা চীনের শিল্প-অ্যাকাডেমিয়া সংযোগের মডেল অনুসরণ করতে চাই। অর্থাৎ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে শিল্পখাতের সরাসরি সংযোগ তৈরি করতে হবে, যাতে শিক্ষার সঙ্গে শিল্প ও কর্মসংস্থানের প্রয়োজনীয়তার কার্যকর সমন্বয় ঘটে। বিশ্বায়নের এ যুগে তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছি। বিশেষ করে চীনা ভাষা শেখাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছি। কারণ চীনা ভাষা শেখা আমাদের তরুণদের জন্য আন্তর্জাতিক সুযোগের এক বিশাল দ্বার উন্মুক্ত করে দিতে পারে। তিনি বলেন, সম্প্রতি আমরা মালয়েশিয়ান কোয়ালিফিকেশন এজেন্সির সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছি। শিক্ষাখাতে কীভাবে আরও উন্নতি করা যায়, তা আমরা দেখছি। মোনাশ ইউনিভার্সিটি আমাদের দেশে একটি ক্যাম্পাস তৈরি করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে এবং আমরা তা বাস্তবায়ন করবো। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনায় অনেক বেশি কঠোর হচ্ছে। আমাদের এখন ১১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে এবং আমরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য একটি শক্তিশালী বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল গঠন করেছি। এহছানুল হক মিলন বলেন, আমরা সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য আরও উন্নত পরিবেশ তৈরি করবো। এভাবেই আমরা আমাদের শিক্ষার উন্নয়ন করবো এবং শিক্ষাই আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এটিই আমাদের জাতির সাফল্যের চাবিকাঠি এবং ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের অনেক অবদান রাখছে। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শামস্-উর রহমান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত হলেন ইয়াও ওয়েন প্রমুখ।

সম্পর্কিত

পৃথিবী, মহাসাগর ও ইতিহাসের অজানা অধ্যায় নিয়ে সেরা বাংলা ডকুমেন্টারি

মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Abdur Rahman

একটি সৃজনশীল সাহিত্য পত্রিকা

পছন্দের চিকিৎসকের সিরিয়াল নিতে ক্লিক করুন

স্বাদে, মানে ও ভালোবাসায়—লেক ভিউ কেক

শিক্ষাব্যবস্থা চীন-পশ্চিমা দেশের মতো করতে চাই: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশের সময় ১০:৫৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের শিক্ষাব্যবস্থা চীন অথবা পশ্চিমা দেশগুলোর মতো করে দেখানোর অঙ্গীকার করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে চীন বা পশ্চিমা দেশগুলোর মতো উন্নত করতে চাই এবং আমরা তা করে দেখাবো। এটিই আমাদের মিশন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে তৃতীয় ঢাকা-চায়না ডে উদযাপন অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আগে এটি আমাদের জিডিপির মাত্র ১.৩৯ শতাংশ ছিল, এখন আমরা অনেক বেশি পেয়েছি। প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তিনি এ বাজেট ৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করবেন। তাই বাজেট আমাদের কোনো সমস্যা নয়। এহছানুল হক মিলন বলেন, আমরা চীনের শিল্প-অ্যাকাডেমিয়া সংযোগের মডেল অনুসরণ করতে চাই। অর্থাৎ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে শিল্পখাতের সরাসরি সংযোগ তৈরি করতে হবে, যাতে শিক্ষার সঙ্গে শিল্প ও কর্মসংস্থানের প্রয়োজনীয়তার কার্যকর সমন্বয় ঘটে। বিশ্বায়নের এ যুগে তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছি। বিশেষ করে চীনা ভাষা শেখাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছি। কারণ চীনা ভাষা শেখা আমাদের তরুণদের জন্য আন্তর্জাতিক সুযোগের এক বিশাল দ্বার উন্মুক্ত করে দিতে পারে। তিনি বলেন, সম্প্রতি আমরা মালয়েশিয়ান কোয়ালিফিকেশন এজেন্সির সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছি। শিক্ষাখাতে কীভাবে আরও উন্নতি করা যায়, তা আমরা দেখছি। মোনাশ ইউনিভার্সিটি আমাদের দেশে একটি ক্যাম্পাস তৈরি করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে এবং আমরা তা বাস্তবায়ন করবো। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনায় অনেক বেশি কঠোর হচ্ছে। আমাদের এখন ১১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে এবং আমরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য একটি শক্তিশালী বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল গঠন করেছি। এহছানুল হক মিলন বলেন, আমরা সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য আরও উন্নত পরিবেশ তৈরি করবো। এভাবেই আমরা আমাদের শিক্ষার উন্নয়ন করবো এবং শিক্ষাই আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এটিই আমাদের জাতির সাফল্যের চাবিকাঠি এবং ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের অনেক অবদান রাখছে। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শামস্-উর রহমান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত হলেন ইয়াও ওয়েন প্রমুখ।