বিমানবন্দর থানার মামলায় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন নামঞ্জুর
- প্রকাশের সময় ০৪:৩৮:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
- / ৭ বার দেখা হয়েছে
রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে এক দিনের রিমান্ড শেষে আখতারুজ্জামানকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় তার আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গত শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিমানবন্দর থানায় দায়ের করা এ মামলায় আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে আদালতে হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর তার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১ অক্টোবর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন প্রতিনিধি সপরিবারে মদিনা থেকে ঢাকায় আসেন। তাদের বহনকারী ফ্লাইটটি ওই দিন সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সকাল ৯টা ৮ মিনিটের দিকে উড়োজাহাজটি পার্কিং করা হয়। পরে যাত্রীরা বিমানবন্দরের ২১ নম্বর গেট দিয়ে টার্মিনালে প্রবেশ করে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। এরপর লাগেজ সংগ্রহের জন্য তারা ৮ নম্বর লাগেজ বেল্ট এলাকায় যান।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ওই সময় বিমানবন্দরে আগমনী যাত্রীর চাপ বেশি থাকায় ট্রলি সংগ্রহে সাময়িক সংকট দেখা দেয়। ট্রলি নেওয়ার জন্য দীর্ঘ লাইন তৈরি হলে কয়েকজন প্রটোকল সহকারী লাইনের নিয়ম ভেঙে ট্রলি সংগ্রহের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ছাড়া লাগেজ আসতে দেরি হওয়া এবং জমজমের পানি না পাওয়াকে কেন্দ্র করে কয়েকজন যাত্রী উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। এ সময় তারা অশোভন আচরণ করেন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
এ ঘটনায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে মামলার অভিযোগগুলো আদালতে প্রমাণিত হওয়ার আগে সেগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে।





















