আজ বংশী হাতে লয়ে সখা আসিয়াছি,
মনো মাধুরী মিশিয়ে ভালোবাসিয়াছি ।
কোথা সবে জাগরণী মোরে দাও গো দেখা
প্রণয়ো করিব তোমার সনে, তাহা হবে লেখা।
যেমন করে বৃন্দাবনে কালা মাধব নাচে
সে নাচে মহিয়া হয়ে রাধা হাসে ,
তেমনি আজ আমি সখা নাচিব যে
তোমারি মনো মাঝে বাসা বাঁধিব যে ।
তাহার ঠোঁটে মধুর বাঁশি বাজে সদা বনে
গোপিকা পাপিয়া নাচে তাহাসনে ,
আজ আবার আসিবে সেই মধু লগন
জাগিয়া আসো আজি রাঙ্গা ভরা ফাগুন ।
তন্দ্রাময়ী আঁখি খুলে দেখো এধার চেয়ে
বংশী লয়ে সখা এলো তোমারে পেয়ে,
জ্যোৎস্না যেন ঝরছিল ঐ ঠোঁট দুখানা বেয়ে
তোমার ওই হাসির ছলে যেও আমায় চেয়ে ।
মোঃ মমিনুল ইসলাম মুক্তাদের 


























