পলাশরাঙা প্রতিধ্বনি
ফাগুন হাওয়া, শুধু বাতাস নয়, গোপন অগ্নিসংবাদ, শিরায় শিরায় জ্বলে ওঠে পরাগের উন্মাদ। অবচেতনে জেগে থাকে অন্তঃসলিলা ঢেউ, রক্তের ভিতর
ফাগুনের হাওয়া
ফাগুন এলো রংমাখালো ফুলের সৌরভ মনমাতালো প্রজাপতিরা গানশুনালো মৌমাছিরা গুনগুনালো রঙিন শাড়িতে কনেএলো চুলগুলো তার এলোমেলো ফুলের মালা গলায়দিলো নদীর
দয়ালের দয়া
সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ, বাংলাদেশ। আকাশ দেখছ কত বড়, রাখছে উধর্ব দেশ চন্দ্র সূর্য্য দিবা রাত্রি, চলচ্ছে কেমন বেশ। বাতাস দেখছ সাগর
বসন্ত
বসন্ত আসে– ষড়ঋতুর রাজমুকুট পড়ে, ভোরের পাখির গুঞ্জন শোনে শোনে। বসন্ত আসে– শীতের শুষ্কতা কাটিয়ে উষ্ণতার পরশে, প্রকৃতির আকর্ষণীয় এক
আমিও নারী
আমিও নারী আগুন আমার অন্তরে, শৃঙ্খল ভাঙার শপথ আছে কণ্ঠস্বরের মন্ত্রে। চুপ করে থাকি? সে কথা আজ মিথ্যা ভারী, অন্যায়ের
আজব মানুষ
আজব মানুষ দীনবন্ধু ত্রিজগতের সাঁই, কেউবা জানে কালো তুমি এরচে ভালো নাই। দেখাও তুমি আঁধারের পথ কহ তা নয় ভালো,
তিস্তায় ন্যায্য জল চাই!
তিস্তার রিক্ততা আজ স্রোতস্বিনীর বিদ্রূপ, ঊষর বালুচরে জাগে নাব্যতার ক্রূর প্রলাপ। উজানের নিষ্পেষণে শৈবাল-সম জীবন, প্রবঞ্চনার আবর্তে পারাপার হয় নিধন।
আল কুরআন
দেখিনি আমি মূসা নবীর মহা বই ‘তাওরাত,’ কাটেনি কখনো ‘যাবুর’ কিতাব শুনে বিনিদ্র রাত। পড়িনি আমি ‘ইঞ্জিল’ নামে আসমানি সেই
ভাগ্যের সন্ধান
সন্ধানী কৃষক মাটির গভীরে করে ফসলের সন্ধান? লাঙ্গলের ফলায় জমির বুকে এঁকে ভাগ্যরেখা। কন্যার পিতা আপন মেয়ের ভাগ্য খোঁজে বরের
রক্তে রাঙানো মার্চ
রক্তে রাঙানো মার্চ আসে ঝড়ের মতো, বজ্রের মতো স্মরণ করিয়ে দেয় সেই অগ্নিদগ্ধ প্রভাত, যখন বুকের রক্তে লিখেছিল মানুষ স্বাধীনতার

















