Dhaka রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

থাইল্যান্ডে ভাইরাসের সংক্রমণে ৭২ বাঘের মৃত্যু

ঢাকা: থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের একটি ব্যক্তিগত সাফারি পার্কে সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রাণঘাতী ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে অন্তত ৭২টি বাঘ মারা গেছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

চিয়াং মাইয়ের প্রাদেশিক প্রাণিসম্পদ কার্যালয় শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পরীক্ষায় মারাত্নক সংক্রামক ক্যানাইন ডিস্টেম্পার ভাইরাসের পাশাপাশি শ্বাসতন্ত্রকে প্রভাবিত করা ব্যাকটেরিয়া শনাক্ত হয়েছে।

প্রাণী অধিকার সংস্থা পেটা এশিয়া  এএফপিকে জানিয়েছে, বাঘগুলোর জীবনযাপন দুর্দশা, বন্দিদশা ও ভয়ের মধ্যে কেটেছে।

সংস্থাটি আরো জানিয়েছে, ‘যদি পর্যটকদের সংখ্যা কমে যায়, তাহলে জনপ্রিয় স্থানগুলো দ্রুত অলাভজনক হতে পারে। তবে তাতে এই ধরনের নেতিবাচক ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা অনেক কম হবে।’

জাতীয় প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরিচালক সোমচুয়ান রতনামুংক্লানন স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বিড়াল বা কুকুরের মতো পোষা প্রাণীর তুলনায় বাঘের রোগ শনাক্ত করা অনেক কঠিন। আমরা যখন বুঝতে পারলাম যে, তারা অসুস্থ, তখন ইতিমধ্যেই অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল।’

তিনি আরো বলেন, চিয়াং মাই প্রদেশের টাইগার কিংডম সাফারি পার্ক এই বাঘগুলোর মৃত্যু হয়। পার্কটির ওয়েবসাইটে দর্শকদের জন্য বাঘগুলোকে স্পর্শ করার ও ছবি তোলার সুযোগের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে।

সম্পর্কিত

শেয়ার করুন

মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Abdur Rahman

একটি সৃজনশীল সাহিত্য পত্রিকা
প্রকাশের সময় ০৬:৩৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৮৩ পড়া হয়েছে

থাইল্যান্ডে ভাইরাসের সংক্রমণে ৭২ বাঘের মৃত্যু

প্রকাশের সময় ০৬:৩৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকা: থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের একটি ব্যক্তিগত সাফারি পার্কে সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রাণঘাতী ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে অন্তত ৭২টি বাঘ মারা গেছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

চিয়াং মাইয়ের প্রাদেশিক প্রাণিসম্পদ কার্যালয় শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পরীক্ষায় মারাত্নক সংক্রামক ক্যানাইন ডিস্টেম্পার ভাইরাসের পাশাপাশি শ্বাসতন্ত্রকে প্রভাবিত করা ব্যাকটেরিয়া শনাক্ত হয়েছে।

প্রাণী অধিকার সংস্থা পেটা এশিয়া  এএফপিকে জানিয়েছে, বাঘগুলোর জীবনযাপন দুর্দশা, বন্দিদশা ও ভয়ের মধ্যে কেটেছে।

সংস্থাটি আরো জানিয়েছে, ‘যদি পর্যটকদের সংখ্যা কমে যায়, তাহলে জনপ্রিয় স্থানগুলো দ্রুত অলাভজনক হতে পারে। তবে তাতে এই ধরনের নেতিবাচক ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা অনেক কম হবে।’

জাতীয় প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরিচালক সোমচুয়ান রতনামুংক্লানন স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বিড়াল বা কুকুরের মতো পোষা প্রাণীর তুলনায় বাঘের রোগ শনাক্ত করা অনেক কঠিন। আমরা যখন বুঝতে পারলাম যে, তারা অসুস্থ, তখন ইতিমধ্যেই অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল।’

তিনি আরো বলেন, চিয়াং মাই প্রদেশের টাইগার কিংডম সাফারি পার্ক এই বাঘগুলোর মৃত্যু হয়। পার্কটির ওয়েবসাইটে দর্শকদের জন্য বাঘগুলোকে স্পর্শ করার ও ছবি তোলার সুযোগের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে।