Dhaka বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাউন্ট এভারেস্ট: পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ

সাহিত্যপাতা
  • প্রকাশের সময় ১০:১৭:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
  • / ২৭ বার দেখা হয়েছে

পৃথিবীর বুক জুড়ে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য পর্বত, অসংখ্য বিস্ময়। কিন্তু সেই বিস্ময়গুলোর মধ্যেও একটি নাম সর্বোচ্চ স্থানে দাঁড়িয়ে আছে—মাউন্ট এভারেস্ট।
এটি শুধু একটি পর্বত নয়, এটি মানুষের স্বপ্ন, সাহস আর সীমা অতিক্রম করার ইতিহাস।

মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট। এটি পৃথিবীর সর্বোচ্চ বিন্দু, যেখানে আকাশ যেন আরও কাছাকাছি নেমে আসে, আর পৃথিবী হয়ে যায় এক দূরবর্তী দৃশ্য।

এই শৃঙ্গটি অবস্থিত হিমালয় পর্বতমালায়, নেপাল ও চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের সীমান্তে।
নেপালে এটি পরিচিত সাগরমাথা নামে, যার অর্থ “আকাশের মাথা”, আর তিব্বতে বলা হয় চোমোলাংমা, অর্থাৎ “পৃথিবীর দেবী মাতা”।

এই নামগুলোই বলে দেয়—এভারেস্ট শুধু একটি পাথরের পাহাড় নয়, এটি মানুষের কল্পনা ও শ্রদ্ধার এক অনন্য প্রতীক।


প্রায় ৫ থেকে ৬ কোটি বছর আগে, ভারতীয় টেকটোনিক প্লেট ধীরে ধীরে ইউরেশীয় প্লেটের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
এই ভয়ংকর ভূ-গাঠনিক সংঘর্ষের ফলেই জন্ম নেয় হিমালয় পর্বতমালা, আর তার সর্বোচ্চ শিখর—এভারেস্ট।
আজও এই পর্বত ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছে, যেন সময়ের সাথে সাথে আকাশ ছুঁতে চাইছে আরও উঁচুতে।


১৮৬৫ সালে ব্রিটিশ সার্ভেয়ার জেনারেল স্যার জর্জ এভারেস্ট-এর নামানুসারে এই শৃঙ্গের নামকরণ করা হয় “এভারেস্ট”।
যদিও তিনি নিজে এই পর্বত কখনো দেখেননি, তবুও তাঁর নাম ইতিহাসে চিরস্থায়ী হয়ে যায় পৃথিবীর সর্বোচ্চ স্থানের সঙ্গে।


এভারেস্টের সৌন্দর্য যেমন মোহময়, তেমনি এর প্রকৃতি ভয়ংকর।
এখানে শীতলতা এত তীব্র যে তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে প্রায় মাইনাস ৪০ থেকে মাইনাস ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে
বাতাসের গতি ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার বা তার বেশি হতে পারে।

এখানে অক্সিজেনের মাত্রা সমুদ্রপৃষ্ঠের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ।
এই কারণে ৮,০০০ মিটারের উপরের অঞ্চলকে বলা হয় “ডেথ জোন”—যেখানে মানুষের শরীর ধীরে ধীরে বেঁচে থাকার ক্ষমতা হারাতে শুরু করে।


১৯৫৩ সালের ২৯ মে পৃথিবীর ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়।
নিউজিল্যান্ডের স্যার এডমন্ড হিলারি এবং নেপালের শেরপা তেনজিং নোরগে প্রথমবারের মতো এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছান।
তারা মানব ইতিহাসে প্রমাণ করেন—অসম্ভব বলে কিছু নেই।


কিন্তু এই জয় সহজ ছিল না, আজও সহজ নয়।
এভারেস্ট অভিযানে প্রতিটি পদক্ষেপই জীবন ও মৃত্যুর মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকে।
হিমবাহ ধস, আকস্মিক তুষারঝড়, অক্সিজেন সংকট—সব মিলিয়ে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক যাত্রাগুলোর একটি।

প্রতি বছর বহু পর্বতারোহী এই স্বপ্নের পেছনে ছুটে যান, কিন্তু সবাই ফিরতে পারেন না।
এখন পর্যন্ত ৩৫০-এর বেশি পর্বতারোহী এভারেস্ট অভিযানে প্রাণ হারিয়েছেন
অনেকের মরদেহ আজও বরফের নিচে বা পাহাড়ের গায়ে রয়ে গেছে, যা প্রকৃতির কঠোর বাস্তবতার এক নীরব সাক্ষী।


এভারেস্টের আরেকটি ভয়ংকর অংশ হলো “ডেথ জোন”—৮,০০০ মিটার উপরের অঞ্চল।
এখানে শরীর দ্রুত অক্সিজেনের অভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে।
সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমে যায়, দৃষ্টি ঝাপসা হয়, আর ধীরে ধীরে জীবন থেমে যেতে শুরু করে।


এই অভিযানে শেরপাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নেপালের শেরপারা জন্মগতভাবেই উচ্চ পর্বতে বসবাসের কারণে অসাধারণ সহনশীলতা অর্জন করেছেন।
তারা শুধু পথপ্রদর্শক নন, বরং প্রতিটি অভিযানের নীরব নায়ক।


এভারেস্ট জয় করতে হলে শুধু সাহস নয়, প্রয়োজন কঠোর প্রস্তুতি।
শারীরিক ফিটনেস, মানসিক দৃঢ়তা এবং দীর্ঘ প্রশিক্ষণ ছাড়া এখানে টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব।
অনেক পর্বতারোহী মাসের পর মাস উচ্চ পর্বতে প্রশিক্ষণ নিয়ে তারপর চূড়ার পথে যাত্রা করেন।


বাংলাদেশের জন্যও এভারেস্ট এক গর্বের নাম।
২০১০ সালে মুসা ইব্রাহীম প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন।
এরপর নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, এম এ মুহিত এবং আরও অনেকে এই কঠিন শৃঙ্গে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন।

তাদের প্রতিটি পদক্ষেপ শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং একটি জাতির সক্ষমতার প্রতীক।


এভারেস্ট অভিযানের খরচও অত্যন্ত বেশি।
একটি পূর্ণাঙ্গ অভিযানে খরচ হয় প্রায় ৩০ হাজার থেকে ৮৫ হাজার মার্কিন ডলার, অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩৫ লাখ থেকে ১ কোটি টাকার বেশি

এই খরচ শুধু অর্থের বিষয় নয়—এটি একটি জীবনের বিনিয়োগ।


এভারেস্ট আরোহণ সাধারণত কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়।
বেস ক্যাম্প থেকে শুরু করে ক্যাম্প ১, ক্যাম্প ২, ক্যাম্প ৩ এবং শেষ পর্যন্ত ক্যাম্প ৪—যেখান থেকে শুরু হয় চূড়ান্ত যাত্রা।

প্রতিটি ধাপে থাকে নতুন বিপদ, নতুন পরীক্ষা, আর নতুন অনিশ্চয়তা।


তবুও মানুষ থেমে থাকে না।
কারণ এভারেস্ট শুধু একটি পাহাড় নয়, এটি একটি প্রশ্ন—
“মানুষ নিজের সীমা কতদূর পর্যন্ত যেতে পারে?”


এভারেস্টে ওঠা মানে শুধু একটি শিখরে পৌঁছানো নয়।
এটি নিজের ভয়কে জয় করা, নিজের দুর্বলতাকে অতিক্রম করা, এবং প্রকৃতির সঙ্গে এক অনন্ত লড়াই।


শেষ পর্যন্ত, মাউন্ট এভারেস্ট আমাদের শেখায়—
মানুষের শরীর সীমাবদ্ধ হতে পারে, কিন্তু মানুষের স্বপ্ন কখনো সীমাবদ্ধ নয়।

যেখানে সাহস আছে, সেখানে পথ তৈরি হয়।
যেখানে ইচ্ছাশক্তি আছে, সেখানে অসম্ভবও সম্ভব হয়ে ওঠে।


মাউন্ট এভারেস্ট তাই শুধু পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ নয়—
এটি মানব আত্মার সর্বোচ্চ উচ্চতার এক চিরন্তন প্রতীক।

সম্পর্কিত

মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Abdur Rahman

একটি সৃজনশীল সাহিত্য পত্রিকা

এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিন

এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিন

মাউন্ট এভারেস্ট: পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ

প্রকাশের সময় ১০:১৭:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

পৃথিবীর বুক জুড়ে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য পর্বত, অসংখ্য বিস্ময়। কিন্তু সেই বিস্ময়গুলোর মধ্যেও একটি নাম সর্বোচ্চ স্থানে দাঁড়িয়ে আছে—মাউন্ট এভারেস্ট।
এটি শুধু একটি পর্বত নয়, এটি মানুষের স্বপ্ন, সাহস আর সীমা অতিক্রম করার ইতিহাস।

মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট। এটি পৃথিবীর সর্বোচ্চ বিন্দু, যেখানে আকাশ যেন আরও কাছাকাছি নেমে আসে, আর পৃথিবী হয়ে যায় এক দূরবর্তী দৃশ্য।

এই শৃঙ্গটি অবস্থিত হিমালয় পর্বতমালায়, নেপাল ও চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের সীমান্তে।
নেপালে এটি পরিচিত সাগরমাথা নামে, যার অর্থ “আকাশের মাথা”, আর তিব্বতে বলা হয় চোমোলাংমা, অর্থাৎ “পৃথিবীর দেবী মাতা”।

এই নামগুলোই বলে দেয়—এভারেস্ট শুধু একটি পাথরের পাহাড় নয়, এটি মানুষের কল্পনা ও শ্রদ্ধার এক অনন্য প্রতীক।


প্রায় ৫ থেকে ৬ কোটি বছর আগে, ভারতীয় টেকটোনিক প্লেট ধীরে ধীরে ইউরেশীয় প্লেটের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
এই ভয়ংকর ভূ-গাঠনিক সংঘর্ষের ফলেই জন্ম নেয় হিমালয় পর্বতমালা, আর তার সর্বোচ্চ শিখর—এভারেস্ট।
আজও এই পর্বত ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছে, যেন সময়ের সাথে সাথে আকাশ ছুঁতে চাইছে আরও উঁচুতে।


১৮৬৫ সালে ব্রিটিশ সার্ভেয়ার জেনারেল স্যার জর্জ এভারেস্ট-এর নামানুসারে এই শৃঙ্গের নামকরণ করা হয় “এভারেস্ট”।
যদিও তিনি নিজে এই পর্বত কখনো দেখেননি, তবুও তাঁর নাম ইতিহাসে চিরস্থায়ী হয়ে যায় পৃথিবীর সর্বোচ্চ স্থানের সঙ্গে।


এভারেস্টের সৌন্দর্য যেমন মোহময়, তেমনি এর প্রকৃতি ভয়ংকর।
এখানে শীতলতা এত তীব্র যে তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে প্রায় মাইনাস ৪০ থেকে মাইনাস ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে
বাতাসের গতি ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার বা তার বেশি হতে পারে।

এখানে অক্সিজেনের মাত্রা সমুদ্রপৃষ্ঠের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ।
এই কারণে ৮,০০০ মিটারের উপরের অঞ্চলকে বলা হয় “ডেথ জোন”—যেখানে মানুষের শরীর ধীরে ধীরে বেঁচে থাকার ক্ষমতা হারাতে শুরু করে।


১৯৫৩ সালের ২৯ মে পৃথিবীর ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়।
নিউজিল্যান্ডের স্যার এডমন্ড হিলারি এবং নেপালের শেরপা তেনজিং নোরগে প্রথমবারের মতো এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছান।
তারা মানব ইতিহাসে প্রমাণ করেন—অসম্ভব বলে কিছু নেই।


কিন্তু এই জয় সহজ ছিল না, আজও সহজ নয়।
এভারেস্ট অভিযানে প্রতিটি পদক্ষেপই জীবন ও মৃত্যুর মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকে।
হিমবাহ ধস, আকস্মিক তুষারঝড়, অক্সিজেন সংকট—সব মিলিয়ে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক যাত্রাগুলোর একটি।

প্রতি বছর বহু পর্বতারোহী এই স্বপ্নের পেছনে ছুটে যান, কিন্তু সবাই ফিরতে পারেন না।
এখন পর্যন্ত ৩৫০-এর বেশি পর্বতারোহী এভারেস্ট অভিযানে প্রাণ হারিয়েছেন
অনেকের মরদেহ আজও বরফের নিচে বা পাহাড়ের গায়ে রয়ে গেছে, যা প্রকৃতির কঠোর বাস্তবতার এক নীরব সাক্ষী।


এভারেস্টের আরেকটি ভয়ংকর অংশ হলো “ডেথ জোন”—৮,০০০ মিটার উপরের অঞ্চল।
এখানে শরীর দ্রুত অক্সিজেনের অভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে।
সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমে যায়, দৃষ্টি ঝাপসা হয়, আর ধীরে ধীরে জীবন থেমে যেতে শুরু করে।


এই অভিযানে শেরপাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নেপালের শেরপারা জন্মগতভাবেই উচ্চ পর্বতে বসবাসের কারণে অসাধারণ সহনশীলতা অর্জন করেছেন।
তারা শুধু পথপ্রদর্শক নন, বরং প্রতিটি অভিযানের নীরব নায়ক।


এভারেস্ট জয় করতে হলে শুধু সাহস নয়, প্রয়োজন কঠোর প্রস্তুতি।
শারীরিক ফিটনেস, মানসিক দৃঢ়তা এবং দীর্ঘ প্রশিক্ষণ ছাড়া এখানে টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব।
অনেক পর্বতারোহী মাসের পর মাস উচ্চ পর্বতে প্রশিক্ষণ নিয়ে তারপর চূড়ার পথে যাত্রা করেন।


বাংলাদেশের জন্যও এভারেস্ট এক গর্বের নাম।
২০১০ সালে মুসা ইব্রাহীম প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন।
এরপর নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, এম এ মুহিত এবং আরও অনেকে এই কঠিন শৃঙ্গে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন।

তাদের প্রতিটি পদক্ষেপ শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং একটি জাতির সক্ষমতার প্রতীক।


এভারেস্ট অভিযানের খরচও অত্যন্ত বেশি।
একটি পূর্ণাঙ্গ অভিযানে খরচ হয় প্রায় ৩০ হাজার থেকে ৮৫ হাজার মার্কিন ডলার, অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩৫ লাখ থেকে ১ কোটি টাকার বেশি

এই খরচ শুধু অর্থের বিষয় নয়—এটি একটি জীবনের বিনিয়োগ।


এভারেস্ট আরোহণ সাধারণত কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়।
বেস ক্যাম্প থেকে শুরু করে ক্যাম্প ১, ক্যাম্প ২, ক্যাম্প ৩ এবং শেষ পর্যন্ত ক্যাম্প ৪—যেখান থেকে শুরু হয় চূড়ান্ত যাত্রা।

প্রতিটি ধাপে থাকে নতুন বিপদ, নতুন পরীক্ষা, আর নতুন অনিশ্চয়তা।


তবুও মানুষ থেমে থাকে না।
কারণ এভারেস্ট শুধু একটি পাহাড় নয়, এটি একটি প্রশ্ন—
“মানুষ নিজের সীমা কতদূর পর্যন্ত যেতে পারে?”


এভারেস্টে ওঠা মানে শুধু একটি শিখরে পৌঁছানো নয়।
এটি নিজের ভয়কে জয় করা, নিজের দুর্বলতাকে অতিক্রম করা, এবং প্রকৃতির সঙ্গে এক অনন্ত লড়াই।


শেষ পর্যন্ত, মাউন্ট এভারেস্ট আমাদের শেখায়—
মানুষের শরীর সীমাবদ্ধ হতে পারে, কিন্তু মানুষের স্বপ্ন কখনো সীমাবদ্ধ নয়।

যেখানে সাহস আছে, সেখানে পথ তৈরি হয়।
যেখানে ইচ্ছাশক্তি আছে, সেখানে অসম্ভবও সম্ভব হয়ে ওঠে।


মাউন্ট এভারেস্ট তাই শুধু পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ নয়—
এটি মানব আত্মার সর্বোচ্চ উচ্চতার এক চিরন্তন প্রতীক।