Dhaka বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের

বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা বাড়ছে আগামী বাজেটে

সাহিত্যপাতা
  • প্রকাশের সময় ০৮:১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / ২০ বার দেখা হয়েছে

ঢাকা: দেশের প্রান্তিক ও অসহায় মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী আরও শক্তিশালী করতে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতার পরিমাণ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে এসব কর্মসূচির আওতায় নতুন করে যুক্ত হচ্ছেন কয়েক লাখ উপকারভোগী। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

বর্তমানে দেশের প্রায় ৬১ লাখ বয়স্ক নাগরিক মাসে ৬৫০ টাকা হারে ভাতা পাচ্ছেন। আগামী বাজেটে এ সংখ্যা ৬২ লাখে উন্নীত করা হচ্ছে। পাশাপাশি ৯০ বছরের কম বয়সীদের ভাতা ৫০ টাকা বাড়িয়ে ৭০০ টাকা করা হচ্ছে। আর ৯০ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য ভাতা নির্ধারণ করা হচ্ছে ১ হাজার টাকা।

একইভাবে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীত নারীদের ভাতাও বাড়ছে। বর্তমানে মাসে ৬৫০ টাকা করে পাওয়া এ ভাতা আগামী অর্থবছর থেকে ৭০০ টাকা করা হবে। এ শ্রেণিতে ৯০ বছর বা তার বেশি বয়সী উপকারভোগীরা মাসে ১ হাজার টাকা করে পাবেন।

প্রতিবন্ধী ভাতা কর্মসূচিতে উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়িয়ে ৩৬ লাখে উন্নীত করা হচ্ছে। তবে মূল ভাতার পরিমাণ ৯০০ টাকা অপরিবর্তিত থাকছে। ৯০ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রতিবন্ধীরা মাসে ১ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন।

অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির হারও বাড়ানো হচ্ছে। প্রাথমিক স্তরে মাসিক উপবৃত্তি ৯০০ থেকে বাড়িয়ে ৯৫০ টাকা, মাধ্যমিকে ১ হাজার টাকা, উচ্চমাধ্যমিকে ১ হাজার ১০০ টাকা এবং উচ্চশিক্ষায় ১ হাজার ৩৫০ টাকা নির্ধারণ করা হচ্ছে।

হিজড়া, বেদে, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী ও চা শ্রমিকদের উপকারভোগীর সংখ্যা সামান্য বাড়ানো হলেও তাদের ভাতার হার অপরিবর্তিত থাকছে।

এদিকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় নারীপ্রধান পরিবারগুলো মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পাচ্ছে। সরকার জানিয়েছে, এ কর্মসূচি ধাপে ধাপে আরও সম্প্রসারণ করা হবে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বড় মেগা প্রকল্পের পাশাপাশি এখন সামাজিক সুরক্ষা ও কর্মসংস্থানমুখী কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এতে প্রান্তিক মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়বে এবং অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

সম্পর্কিত

মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Abdur Rahman

একটি সৃজনশীল সাহিত্য পত্রিকা

এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিন

এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিন

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের

বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা বাড়ছে আগামী বাজেটে

প্রকাশের সময় ০৮:১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

ঢাকা: দেশের প্রান্তিক ও অসহায় মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী আরও শক্তিশালী করতে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতার পরিমাণ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে এসব কর্মসূচির আওতায় নতুন করে যুক্ত হচ্ছেন কয়েক লাখ উপকারভোগী। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

বর্তমানে দেশের প্রায় ৬১ লাখ বয়স্ক নাগরিক মাসে ৬৫০ টাকা হারে ভাতা পাচ্ছেন। আগামী বাজেটে এ সংখ্যা ৬২ লাখে উন্নীত করা হচ্ছে। পাশাপাশি ৯০ বছরের কম বয়সীদের ভাতা ৫০ টাকা বাড়িয়ে ৭০০ টাকা করা হচ্ছে। আর ৯০ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য ভাতা নির্ধারণ করা হচ্ছে ১ হাজার টাকা।

একইভাবে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীত নারীদের ভাতাও বাড়ছে। বর্তমানে মাসে ৬৫০ টাকা করে পাওয়া এ ভাতা আগামী অর্থবছর থেকে ৭০০ টাকা করা হবে। এ শ্রেণিতে ৯০ বছর বা তার বেশি বয়সী উপকারভোগীরা মাসে ১ হাজার টাকা করে পাবেন।

প্রতিবন্ধী ভাতা কর্মসূচিতে উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়িয়ে ৩৬ লাখে উন্নীত করা হচ্ছে। তবে মূল ভাতার পরিমাণ ৯০০ টাকা অপরিবর্তিত থাকছে। ৯০ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রতিবন্ধীরা মাসে ১ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন।

অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির হারও বাড়ানো হচ্ছে। প্রাথমিক স্তরে মাসিক উপবৃত্তি ৯০০ থেকে বাড়িয়ে ৯৫০ টাকা, মাধ্যমিকে ১ হাজার টাকা, উচ্চমাধ্যমিকে ১ হাজার ১০০ টাকা এবং উচ্চশিক্ষায় ১ হাজার ৩৫০ টাকা নির্ধারণ করা হচ্ছে।

হিজড়া, বেদে, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী ও চা শ্রমিকদের উপকারভোগীর সংখ্যা সামান্য বাড়ানো হলেও তাদের ভাতার হার অপরিবর্তিত থাকছে।

এদিকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় নারীপ্রধান পরিবারগুলো মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পাচ্ছে। সরকার জানিয়েছে, এ কর্মসূচি ধাপে ধাপে আরও সম্প্রসারণ করা হবে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বড় মেগা প্রকল্পের পাশাপাশি এখন সামাজিক সুরক্ষা ও কর্মসংস্থানমুখী কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এতে প্রান্তিক মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়বে এবং অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।