Dhaka রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছয় বছর পর এফএ কাপের পঞ্চম রাউন্ডে আর্সেনাল

মাত্র ৩০ মিনিটেই ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে আর্সেনাল। লিগ ওয়ানের দল উইগান অ্যাথলেটিককে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ছয় বছরের মধ্যে প্রথমবার এফএ কাপের পঞ্চম রাউন্ডে জায়গা করে নেয় মিকেল আর্তেতার দল। এমিরেটস স্টেডিয়ামে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একতরফা আধিপত্য ছিল স্বাগতিকদের।ম্যাচের ১১ থেকে ২৭ মিনিট, এই ১৭ মিনিটেই চারবার জাল কাঁপে। প্রথমে ননি মাদুয়েকে গোল করে এগিয়ে দেন দলকে। সাত মিনিট পর ব্যবধান বাড়ান গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। ২৩ মিনিটে জ্যাক হান্টের আত্মঘাতী গোলে তৃতীয় গোল পায় আর্সেনাল। এরপর গ্যাব্রিয়েল জেসুস চিপ শটে চতুর্থ গোলটি করেন। প্রথম আধঘণ্টার মধ্যেই ম্যাচ কার্যত শেষ হয়ে যায়।গত বৃহস্পতিবার ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে ড্র করা দল থেকে আটটি পরিবর্তন আনেন মিকেল আর্তেতা। তবু আক্রমণে ছিলেন বুকায়ো সাকা, এবেরেচি এজে, ননি মাদুয়েকে, গ্যাব্রিয়েল জেসুস ও মার্তিনেল্লি। এর মধ্যে তিনজন গোল পান। এজে নিজে গোল না পেলেও প্রথম দুটি গোলের পেছনে তার পাস ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথম গোলের সময় মাঝমাঠ থেকে দুর্দান্ত পাস বাড়ান এজে। ডান দিক থেকে ভেতরে ঢ়ুকে প্রথম ছোঁয়াতেই নিখুঁত ফিনিশিং করেন মাদুয়েকে। কিছুক্ষণের মধ্যে আবারও এজের পাস থেকে মার্তিনেল্লি গোলরক্ষক স্যাম টিকলকে পরাস্ত করেন।
তৃতীয় গোল আসে দুর্ভাগ্যজনকভাবে উইগানের ডিফেন্ডার হান্টের মাথা থেকে। সাকার পুলব্যাক জেসুসের পায়ে লেগে দিক বদলে গেলে বিভ্রান্ত হয়ে আত্মঘাতী হেড করেন তিনি। চতুর্থ গোলের সময় লম্বা বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এগিয়ে আসা টিকলের ওপর দিয়ে চিপ করেন জেসুস।
উইগান লিগ ওয়ানে ২২তম স্থানে রয়েছে। শেষ সাত ম্যাচের ছয়টিতেই হার তাদের। অন্তর্বর্তী কোচ গ্লেন হুইলানের দলের জন্য শুরুটা ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। তবু তারা স্কোরলাইন আর বড় হতে দেয়নি। জো টেলরের শট দারুণভাবে ঠেকান গোলরক্ষক কেপা আরিজাবালাগা।
বিরতির পর ভিক্টর গিওকেরেস পোস্টে শট মারেন। এজেও একবার সাইড নেটে বল পাঠান। তবে নতুন কোনো গোল আর যোগ হয়নি।
২০২০ সালে শিরোপা জয়ের পর এই প্রথম এফএ কাপের চতুর্থ রাউন্ড পেরোল আর্সেনাল। শুরুর আধঘণ্টার দাপটেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় তারা। বাকিটা ছিল শুধু আনুষ্ঠানিকতা।

সম্পর্কিত

শেয়ার করুন

মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Abdur Rahman

একটি সৃজনশীল সাহিত্য পত্রিকা
প্রকাশের সময় ০৭:৩৪:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
১৯৯ পড়া হয়েছে

ছয় বছর পর এফএ কাপের পঞ্চম রাউন্ডে আর্সেনাল

প্রকাশের সময় ০৭:৩৪:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মাত্র ৩০ মিনিটেই ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে আর্সেনাল। লিগ ওয়ানের দল উইগান অ্যাথলেটিককে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ছয় বছরের মধ্যে প্রথমবার এফএ কাপের পঞ্চম রাউন্ডে জায়গা করে নেয় মিকেল আর্তেতার দল। এমিরেটস স্টেডিয়ামে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একতরফা আধিপত্য ছিল স্বাগতিকদের।ম্যাচের ১১ থেকে ২৭ মিনিট, এই ১৭ মিনিটেই চারবার জাল কাঁপে। প্রথমে ননি মাদুয়েকে গোল করে এগিয়ে দেন দলকে। সাত মিনিট পর ব্যবধান বাড়ান গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। ২৩ মিনিটে জ্যাক হান্টের আত্মঘাতী গোলে তৃতীয় গোল পায় আর্সেনাল। এরপর গ্যাব্রিয়েল জেসুস চিপ শটে চতুর্থ গোলটি করেন। প্রথম আধঘণ্টার মধ্যেই ম্যাচ কার্যত শেষ হয়ে যায়।গত বৃহস্পতিবার ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে ড্র করা দল থেকে আটটি পরিবর্তন আনেন মিকেল আর্তেতা। তবু আক্রমণে ছিলেন বুকায়ো সাকা, এবেরেচি এজে, ননি মাদুয়েকে, গ্যাব্রিয়েল জেসুস ও মার্তিনেল্লি। এর মধ্যে তিনজন গোল পান। এজে নিজে গোল না পেলেও প্রথম দুটি গোলের পেছনে তার পাস ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথম গোলের সময় মাঝমাঠ থেকে দুর্দান্ত পাস বাড়ান এজে। ডান দিক থেকে ভেতরে ঢ়ুকে প্রথম ছোঁয়াতেই নিখুঁত ফিনিশিং করেন মাদুয়েকে। কিছুক্ষণের মধ্যে আবারও এজের পাস থেকে মার্তিনেল্লি গোলরক্ষক স্যাম টিকলকে পরাস্ত করেন।
তৃতীয় গোল আসে দুর্ভাগ্যজনকভাবে উইগানের ডিফেন্ডার হান্টের মাথা থেকে। সাকার পুলব্যাক জেসুসের পায়ে লেগে দিক বদলে গেলে বিভ্রান্ত হয়ে আত্মঘাতী হেড করেন তিনি। চতুর্থ গোলের সময় লম্বা বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এগিয়ে আসা টিকলের ওপর দিয়ে চিপ করেন জেসুস।
উইগান লিগ ওয়ানে ২২তম স্থানে রয়েছে। শেষ সাত ম্যাচের ছয়টিতেই হার তাদের। অন্তর্বর্তী কোচ গ্লেন হুইলানের দলের জন্য শুরুটা ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। তবু তারা স্কোরলাইন আর বড় হতে দেয়নি। জো টেলরের শট দারুণভাবে ঠেকান গোলরক্ষক কেপা আরিজাবালাগা।
বিরতির পর ভিক্টর গিওকেরেস পোস্টে শট মারেন। এজেও একবার সাইড নেটে বল পাঠান। তবে নতুন কোনো গোল আর যোগ হয়নি।
২০২০ সালে শিরোপা জয়ের পর এই প্রথম এফএ কাপের চতুর্থ রাউন্ড পেরোল আর্সেনাল। শুরুর আধঘণ্টার দাপটেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় তারা। বাকিটা ছিল শুধু আনুষ্ঠানিকতা।