ফিরে এসো নীড়ে
তুমি ফিরে এসো ফিরে এসো শরতের কাশফুল হয়ে ফিরে এসো শিশিরভেজা ঘাস হয়ে কিংবা বৃষ্টি ভেজা ভোর হয়ে। তুমি ফিরে
প্রণয়কাব্য
প্রেয়সির সে রঙিন কাঁচের চুড়ির টুংটাং আওয়াজ দিনভর আলোড়িত করে হৃদয়ের গহিন প্রাকোষ্ঠ বসন্ত আসে মনে ক্ষুদ্র মূহুর্ত থেকে আলোকবর্ষে
তুমি বিপ্লবী বীর
অন্যায়ের বিরুদ্ধে জ্বালাময়ী কণ্ঠ তুমি বিপ্লবী বীর, রাজপথ কাঁপানো বারুদ সন্তান তুমি করোনি নতশির। কণ্ঠে তোমার ইনসাফের বুলি বিশ্বে ফেলেছে
অমিল
হায়, অমিলের শহরে আমি, চুপচাপ ভিড়ের মাঝে হারাই। অচেনা মুখ, ফ্যাকাশে আলো, শূন্যতার ছায়ায় নিজেকে পাই। প্রতিটি পথ নিঃসঙ্গ ও
কবির দায়বদ্ধতা
কবিতা তো শুধু শব্দ নয়, এক অবরুদ্ধ আত্মার মুক্তি, অন্যায়ের আঁধারে জ্বলে ওঠা, এক চিরন্তন যুক্তি। কবির কবিতা কোনো সস্তা
নতুন সূর্যোদয়
মোঃ সৈয়দুল ইসলাম বিজয় মানে স্বৈরাচারীর নতশিরে পরাজয়, বিজয় মানে নতুন সকাল নতুন সূর্যোদয়। বিজয় মানে আমি স্বাধীন গর্ব করে
সবজির দাম কম না
বাজার ভরা সবজি এখন মূল্য কিন্তু কম না, সবজি যারা বেচতে আসে তারা কিন্তু যম না। গাড়ি গাড়ি সবজি যাবে
জীবন সরণী
দুনিয়ায় মোহে মজে শোননি বধির এশকে মজে কী মন আকুল অধির? বিপথে টানছে মোহ নীরব ঘাতক ভর করছে দু’ঘাড়ে শনির
নিরবতার ভাবনা
এমন ও দিনে তারে নাহি পারা যায় ভুলিতে, তবু যেন সে মিশে রয় কোন অজানাতে। তার ভাবনায় অবুঝ মন হতে
অনলে অবগাহন
বাষ্পীয় ধূম্রজালে বিচ্ছিন্ন হৃদয়ের সুক্ষ্ম শিরা অন্তরীক্ষের কামনার্ত শৌন দৃষ্টি বাজপাখির অক্ষিতে নিরবিচ্ছিন্ন ব্যাবচ্ছেদ সুখস্বপ্নের পাঁজরে অনন্যোপ্যায় তপ্ত তনু অবগাহন

















