Dhaka মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ছড়া/ কবিতা

স্বর্গের সনদধারী

মোবাররম হায়দার শয়তানেরি পূজায় মজে নফসের করি দাসত্ব চোয়ালের চুলে মস্তকে টুপি ভাবে ধার্মিক সে মস্ত।   খোদারে করি জেলে

কদমচুম্বন

চন্দনা চক্রবর্তী বর্ষা নামে, আকাশ যেন প্রেমিকের ভেজা চিঠি, কদম ফোটে মেঘের হাতে গড়া সোনালি স্মৃতি। তুমি যেন শ্রাবণের প্রথম

কবিতার ফেরিওয়ালা

কনক কুমার প্রামানিক কাব্যের সুখ স্পন্দন আন্দোলিত করে প্রতি অন্তর ফেরি করি সাহিত্যের সুধা হৃদয়ের সরুপথে বিচরণ সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত

ছুঁড়বো না পাথর

মোহাম্মদ শামীম মিয়া পাথর ছোঁড়া ভালো নয় জানি তুমি আমি, তবে কেনো ছুঁড়ে তা হও বদনামী। প্রাণ যায় কারো কারো

জুলায়ে

কাজী তানভীর জুলায়ের রাজপথে পড়ে ছিলো শতে শতে শহীদের লাশ, বিপ্লবী জোয়ানেরা ভাবছে না বাড়ি ফেরা হোক্ কারাবাস। এইভাবে বেঁচে

তোমারই কথা কয়

আবুল খায়ের বুলবুল এই পৃথিবীর পাখপাখালি বৃক্ষরাজি সব ভোর বিহান কি রাত্রি নিশি নাম তোমারই রব। ঐ যে সাগর নদি

মা জননী 

মোঃ সৈয়দুল ইসলাম  আমরা যখন শিশু ছিলাম করতো মায়ে যতন, মায়ের কাছে ছিলাম সদা হিরা মানিক রতন। আদর স্নেহ ভরা

দিব্য রথের রশ্মি

বিপুল চন্দ্র রায় সনাতন ধর্মের গূঢ়তত্ত্বে উজ্জ্বল,রথের রশ্মি ছুঁলে কাটে কর্মফল।অদ্বৈত-চেতনায় স্পন্দিত সে রশি,পরশে জীবাত্মা পায় অমৃতের শশী। জগন্নাথ জয়ধ্বনিতে

বর্ষাকালে বৃক্ষ লাগাই

সাঈদুর রহমান লিটন বর্ষাকালে সবাই মিলেবৃক্ষ লাগাই আপন দিলে বৃক্ষ দিবে ছায়া,বৃক্ষ দেবে আলোবাতাসতাতে অনেক মায়া। বৃক্ষ জোগায় খাবার-আহারদেখতে লাগে

আমাকে চিনেছি আমি

আবুল খায়ের বুলবুল আমি জীবন যুদ্ধে অগ্রগামী সৈনিক পিছলিয়ে পড়েও দাঁড়িয়ে যাই হতাশার কালো মেঘে ঘিরে ফেললেও নির্ভয়ে চলি বুক