Dhaka মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ বছরেও নির্মিত হয়নি রাস্তা ও কালভার্ট

  • সাহিত্যপাতা
  • প্রকাশের সময় ০৫:০৮:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে

সাতক্ষীরা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের খড়িবিলা উত্তরপাড়ায় প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোই চার পরিবারের চলাচলের একমাত্র ভরসা। প্রায় ১০ বছর ধরে স্থায়ী রাস্তা ও কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানালেও সমাধান মেলেনি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। সাঁকোটির বিভিন্ন অংশ পচে গেছে, কোথাও পাটাতন ভেঙে ফাঁকা হয়ে রয়েছে। ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও শিক্ষার্থীদের এটি পার হতে হয়। বর্ষায় পানির উচ্চতা বাড়লে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ে।

রাস্তা না থাকায় এলাকায় যানবাহন চলাচল করতে পারে না। ফলে অসুস্থ ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী ও জরুরি রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। যোগাযোগব্যবস্থার দুরবস্থায় সামাজিক জীবনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম।

শিক্ষার্থী সোনামনি জানায়, ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো পার হতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থী পানিতে পড়ে বইপত্র নষ্ট করেছে এবং আহত হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায় না। তাঁদের দাবি, চার পরিবারের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে দ্রুত স্থায়ী রাস্তা ও উপযুক্ত কালভার্ট নির্মাণ করা হোক।

সম্পর্কিত

মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Abdur Rahman

একটি সৃজনশীল সাহিত্য পত্রিকা

এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিন

১০ বছরেও নির্মিত হয়নি রাস্তা ও কালভার্ট

প্রকাশের সময় ০৫:০৮:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

সাতক্ষীরা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের খড়িবিলা উত্তরপাড়ায় প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোই চার পরিবারের চলাচলের একমাত্র ভরসা। প্রায় ১০ বছর ধরে স্থায়ী রাস্তা ও কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানালেও সমাধান মেলেনি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। সাঁকোটির বিভিন্ন অংশ পচে গেছে, কোথাও পাটাতন ভেঙে ফাঁকা হয়ে রয়েছে। ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও শিক্ষার্থীদের এটি পার হতে হয়। বর্ষায় পানির উচ্চতা বাড়লে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ে।

রাস্তা না থাকায় এলাকায় যানবাহন চলাচল করতে পারে না। ফলে অসুস্থ ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী ও জরুরি রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। যোগাযোগব্যবস্থার দুরবস্থায় সামাজিক জীবনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম।

শিক্ষার্থী সোনামনি জানায়, ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো পার হতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থী পানিতে পড়ে বইপত্র নষ্ট করেছে এবং আহত হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায় না। তাঁদের দাবি, চার পরিবারের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে দ্রুত স্থায়ী রাস্তা ও উপযুক্ত কালভার্ট নির্মাণ করা হোক।