Dhaka বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলারোয়ায় বিদ্যালয়ের জমি ফেরত পেতে ইউএনওর হস্তক্ষেপ কামনা

সাহিত্যপাতা
  • প্রকাশের সময় ০৫:২৫:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
  • / ৫০৫ বার দেখা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার পিছলাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে নিবন্ধিত ৯ শতক জমি বিদ্যালয়ের অনুকূলে রেকর্ড ও দখল বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে আবেদন করেছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অ্যাডহক কমিটির সভাপতি বরাবর দেওয়া ওই আবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যালয়টির মোট জমির পরিমাণ ৭৩ শতক। এর মধ্যে ৫৮ শতক ২ নং খতিয়ানে এবং ১৫ শতক ২/১ নং খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত। বিদ্যালয়ের নামে ১৯৭৩ সালে দুটি পৃথক নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে মোট ১৫ শতক জমি ক্রয় করা হয় এবং তা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের অনুকূলে নিবন্ধিত রয়েছে। আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, পরবর্তী সময়ে আরএস রেকর্ড প্রকাশের সময় ২/১ নং খতিয়ানের ৯৬৫ নং দাগের ১৫ শতক জমির মধ্যে ৯ শতক পিছলাপোল ঈদগাহ ময়দানের নামে রেকর্ড করা হয়। অথচ দলিল অনুযায়ী ওই জমির মালিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি বিধিসম্মতভাবে হয়নি বলে আবেদনপত্রে দাবি করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, বিদ্যালয় চত্বরে প্রায় মধ্যভাগে ঈদগাহ ময়দান থাকায় শিক্ষার্থীদের চলাচল ও খেলাধুলায় নানা ধরনের সমস্যা হচ্ছে। ফলে বিদ্যালয়ের নামে ক্রয়কৃত জমি বিদ্যালয়ের অনুকূলে রেকর্ড ও দখল বুঝিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। আবেদনে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা সংশ্লিষ্ট ৯ শতক জমি বিদ্যালয়ের নামে রেকর্ড সংশোধন করে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন। এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম আবেদনপত্রে সুপারিশ করেছেন।

সম্পর্কিত

মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Abdur Rahman

একটি সৃজনশীল সাহিত্য পত্রিকা

এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিন

কলারোয়ায় বিদ্যালয়ের জমি ফেরত পেতে ইউএনওর হস্তক্ষেপ কামনা

প্রকাশের সময় ০৫:২৫:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার পিছলাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে নিবন্ধিত ৯ শতক জমি বিদ্যালয়ের অনুকূলে রেকর্ড ও দখল বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে আবেদন করেছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অ্যাডহক কমিটির সভাপতি বরাবর দেওয়া ওই আবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যালয়টির মোট জমির পরিমাণ ৭৩ শতক। এর মধ্যে ৫৮ শতক ২ নং খতিয়ানে এবং ১৫ শতক ২/১ নং খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত। বিদ্যালয়ের নামে ১৯৭৩ সালে দুটি পৃথক নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে মোট ১৫ শতক জমি ক্রয় করা হয় এবং তা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের অনুকূলে নিবন্ধিত রয়েছে। আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, পরবর্তী সময়ে আরএস রেকর্ড প্রকাশের সময় ২/১ নং খতিয়ানের ৯৬৫ নং দাগের ১৫ শতক জমির মধ্যে ৯ শতক পিছলাপোল ঈদগাহ ময়দানের নামে রেকর্ড করা হয়। অথচ দলিল অনুযায়ী ওই জমির মালিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি বিধিসম্মতভাবে হয়নি বলে আবেদনপত্রে দাবি করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, বিদ্যালয় চত্বরে প্রায় মধ্যভাগে ঈদগাহ ময়দান থাকায় শিক্ষার্থীদের চলাচল ও খেলাধুলায় নানা ধরনের সমস্যা হচ্ছে। ফলে বিদ্যালয়ের নামে ক্রয়কৃত জমি বিদ্যালয়ের অনুকূলে রেকর্ড ও দখল বুঝিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। আবেদনে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা সংশ্লিষ্ট ৯ শতক জমি বিদ্যালয়ের নামে রেকর্ড সংশোধন করে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন। এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম আবেদনপত্রে সুপারিশ করেছেন।