প্রণয়কাব্য
- প্রকাশের সময় ১০:৩৪:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
- / ২০৯ বার দেখা হয়েছে
প্রেয়সির সে রঙিন কাঁচের চুড়ির টুংটাং আওয়াজ
দিনভর আলোড়িত করে হৃদয়ের গহিন প্রাকোষ্ঠ
বসন্ত আসে মনে ক্ষুদ্র মূহুর্ত থেকে আলোকবর্ষে
কদাকার কুৎসিতও হয় রঙিন নয়নে চিত্রাকর্ষক।
শেষ বিকেলে বালুকাবেলায় স্পষ্ট হয় মোহনীয় তনু
ফাগুনবেলায় মস্তকে পুষ্পের ঘ্রাণ ভাসে নাসিকায়
আনমনে পাশাপাশি হাঁটা ছুঁয়ে যায় দু’জনের কনিষ্ঠা
শেষ হয় নাকো যে কথন সীমান্তের সেই দীর্ঘ সীমানা।
আপনার চেয়েও আপন প্রণয় আবদ্ধ দু’দেহ প্রাণ
সুমধুর হয় দিবাস্বপ্ন,আনমনে বেখেয়ালি এ ব্রহ্মান্ড
আকাশে উড়ে যায় কল্পনার ডানাওয়ালা পঙ্খীরাজ
একশো আট নীল পদ্মের সন্ধানে দ্বিকবিদিক ছোটা।
প্রণয়র সমুদ্রে পরিপাটি সুশ্রী থাকার নিরন্তর প্রচেষ্টা
লজ্জিত দর্পণ যে দূরে সরে যেতে চায় পূর্ব অভিমানে
চাঁদ ঈষৎ মুখ লুকায় মেঘের আড়ালে তার উপমায়
সদ্যফোটা গোলাপ নুইয়ে ম্লান হয় তার রুপের কাছে।
শিয়রে রাখা মুঠোফোনে অনন্য তার প্রতিকৃতি ভাসে
মূহুমূহু চুম্বনে ওষ্ঠে সাফ হয় স্ক্রীনে থাকা ধূলির কণা
ছন্নছাড়া এলোমেলো পঙক্তিগুলোও যে সুমধুর কাব্য
ক্ষণিক ক্ষুদ্র অভিমানে রাজ্যের বিস্তর দূঃখের রেখা।
মোহময় নেত্রে সে ধরিত্রী পেরিয়ে অন্তরীক্ষের অপ্সরা
কখনো কখনো মোহহীন কামনারা বসতি গড়ে অন্তরে
বিতৃষ্ণা জাগে ক্ষণিকের বাক্যহীন নিকষ অভিমানে
বিচ্ছেদের যন্ত্রণা ঘুন পোকার মতো কুড়ে কুড়ে খায়।
অতঃপর একপক্ষের নিস্তব্ধ নমণীয় আত্মসমর্পণ
শান্তিচুক্তির দস্তখত, সুনসান নিরবতায় আত্মপক্ষ
আগ্নেয়গিরির উত্তপ্ত লাভা ক্রমে শীতল হতে থাকে
থেমে যায় পার্থিব কোলাহল শান্তির নিরন্তর বার্তা।
অশান্ত হৃদয়ে নেমে আসে শ্রাবণের শান্ত বারিধারা
সুখ স্বপ্নে নিমজ্জিত আসন্ন আগামীর প্রতিটি প্রহর
চৈত্রের খরপাতের পরে আসে বসন্তের স্নিগ্ধ পরশ
প্রয়ণের সমাপ্তি হয় পরিণয়ে আবদ্ধ দুটি জীবনের।

























