Dhaka সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খেজুর দিয়ে রোজা ভাঙা কেন উপকারী

Abdur Rahman
  • প্রকাশের সময় ১০:৩০:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • / ৩৪ বার দেখা হয়েছে

সারাদিন রোজা রাখার পর সারা বিশ্বের কোটি রোজদার খেজুর দিয়ে রোজা ভাঙেন। এটি ইফতারের অন্যতম প্রধান উপকরণ। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সময় থেকেই খেজুর দিয়ে ইফতারের প্রচলন রয়েছে। মহানবী (সা.) নিজে খেজুর ও পানি দিয়ে ইফতার করতেন। ধর্মীয় তাৎপর্যের পাশাপাশি খেজুরের পুষ্টিগুণও গুরুত্বপূর্ণ। এটি মানবদেহের জন্য খুবই উপকারী।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রোজা ভাঙার পর শরীর তাৎক্ষণিকভাবে গ্লুকোজ তৈরির চেষ্টা করে, কারণ শরীরে জ্বালানি হিসেবে এটির প্রয়োজন হয়। খেজুরে প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকায় অন্যান্য খাবারের তুলনায় রক্তে শর্করার মাত্রা অনেক দ্রুত বৃদ্ধি করে। খেজুরে শর্করা এবং জটিল কার্বোহাইড্রেট থাকায় এই ফলটি শরীরকে প্রচুর পরিমাণে শক্তি সরবরাহ করে। যারা দীর্ঘ সময় ধরে কিছু না খেয়ে থাকেন তাদের জন্য এটি আদর্শ। খেজুর ভিটামিন এ, কে, বি৬ এবং আয়রনে সমৃদ্ধ। এছাড়া অল্প সময়ের মধ্যে শরীরকে প্রয়োজনীয় সমস্ত পুষ্টি সরবরাহ করতেও সহায়তা করে এই ফল।

পুষ্টিবিদদের মতে, খেজুর একটি শুকনো ফল হলেও, এটি মানুষের শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে। সারা দিন পানি না খাওয়ার ফলে শরীরে যে ঘাটতি থাকে, তা পূরণ করে। প্রাকৃতিকভাবেই এতে ইলেক্ট্রোলাইট পটাসিয়াম থাকে, যা পানির জন্য চুম্বকের মতো কাজ করে, শরীরের কোষগুলোকে পানিতে পরিপূর্ণ করে তোলে।

রোজাদারদের অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য এবং পেট ফাঁপার সমস্যায় ভোগেন। খেজুর ফাইবারের একটি চমৎকার উৎস, যা শরীরের বর্জ্য পদার্থকে অন্ত্রের মধ্য দিয়ে আরও সহজে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে হজমে সহায়তা করে।

সম্পর্কিত

মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Abdur Rahman

একটি সৃজনশীল সাহিত্য পত্রিকা

খেজুর দিয়ে রোজা ভাঙা কেন উপকারী

প্রকাশের সময় ১০:৩০:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

সারাদিন রোজা রাখার পর সারা বিশ্বের কোটি রোজদার খেজুর দিয়ে রোজা ভাঙেন। এটি ইফতারের অন্যতম প্রধান উপকরণ। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সময় থেকেই খেজুর দিয়ে ইফতারের প্রচলন রয়েছে। মহানবী (সা.) নিজে খেজুর ও পানি দিয়ে ইফতার করতেন। ধর্মীয় তাৎপর্যের পাশাপাশি খেজুরের পুষ্টিগুণও গুরুত্বপূর্ণ। এটি মানবদেহের জন্য খুবই উপকারী।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রোজা ভাঙার পর শরীর তাৎক্ষণিকভাবে গ্লুকোজ তৈরির চেষ্টা করে, কারণ শরীরে জ্বালানি হিসেবে এটির প্রয়োজন হয়। খেজুরে প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকায় অন্যান্য খাবারের তুলনায় রক্তে শর্করার মাত্রা অনেক দ্রুত বৃদ্ধি করে। খেজুরে শর্করা এবং জটিল কার্বোহাইড্রেট থাকায় এই ফলটি শরীরকে প্রচুর পরিমাণে শক্তি সরবরাহ করে। যারা দীর্ঘ সময় ধরে কিছু না খেয়ে থাকেন তাদের জন্য এটি আদর্শ। খেজুর ভিটামিন এ, কে, বি৬ এবং আয়রনে সমৃদ্ধ। এছাড়া অল্প সময়ের মধ্যে শরীরকে প্রয়োজনীয় সমস্ত পুষ্টি সরবরাহ করতেও সহায়তা করে এই ফল।

পুষ্টিবিদদের মতে, খেজুর একটি শুকনো ফল হলেও, এটি মানুষের শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে। সারা দিন পানি না খাওয়ার ফলে শরীরে যে ঘাটতি থাকে, তা পূরণ করে। প্রাকৃতিকভাবেই এতে ইলেক্ট্রোলাইট পটাসিয়াম থাকে, যা পানির জন্য চুম্বকের মতো কাজ করে, শরীরের কোষগুলোকে পানিতে পরিপূর্ণ করে তোলে।

রোজাদারদের অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য এবং পেট ফাঁপার সমস্যায় ভোগেন। খেজুর ফাইবারের একটি চমৎকার উৎস, যা শরীরের বর্জ্য পদার্থকে অন্ত্রের মধ্য দিয়ে আরও সহজে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে হজমে সহায়তা করে।