Dhaka বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সীমান্তে হত্যা ও পুশ-ইনে বাড়ছে উদ্বেগ

সাহিত্যপাতা
  • প্রকাশের সময় ০৪:১৮:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / ২৫ বার দেখা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে আবারও হত্যা ও পুশ-ইনের ঘটনা বাড়ায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত বিএসএফের গুলীতে অন্তত ছয়জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। একই সময়ে একাধিক পুশ-ইনের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে কসবা উপজেলার সীমান্ত এলাকায় দুই বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার রাতে গুলীতে তাদের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্ত দিয়ে কয়েকজনকে পুশ-ইন করার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে সীমান্তে গুলী, নির্যাতন ও অপহরণের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। ২০২৫ সালে সীমান্তে বিএসএফের হাতে নিহতের সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। সীমান্তবাসীরা অভিযোগ করে বলেন, চোরাচালান, অনুপ্রবেশ বা সন্দেহের ভিত্তিতে অনেক সময় নিরীহ মানুষও গুলীর শিকার হন। তারা দাবি করেন, গ্রেফতারের পরিবর্তে গুলী চালানোর ঘটনা উদ্বেগজনক। বিশ্লেষকরা বলছেন, সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আগের একাধিক বৈঠক ও প্রতিশ্রুতি থাকলেও বাস্তবে তার কার্যকর বাস্তবায়ন হয়নি। তাদের মতে, মানবাধিকার ও নিরাপত্তা উভয়ই নিশ্চিত করতে কূটনৈতিক উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন। এদিকে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনা এবং পুশ-ইন বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

সম্পর্কিত

মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Abdur Rahman

একটি সৃজনশীল সাহিত্য পত্রিকা

এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিন

সীমান্তে হত্যা ও পুশ-ইনে বাড়ছে উদ্বেগ

প্রকাশের সময় ০৪:১৮:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে আবারও হত্যা ও পুশ-ইনের ঘটনা বাড়ায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত বিএসএফের গুলীতে অন্তত ছয়জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। একই সময়ে একাধিক পুশ-ইনের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে কসবা উপজেলার সীমান্ত এলাকায় দুই বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার রাতে গুলীতে তাদের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্ত দিয়ে কয়েকজনকে পুশ-ইন করার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে সীমান্তে গুলী, নির্যাতন ও অপহরণের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। ২০২৫ সালে সীমান্তে বিএসএফের হাতে নিহতের সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। সীমান্তবাসীরা অভিযোগ করে বলেন, চোরাচালান, অনুপ্রবেশ বা সন্দেহের ভিত্তিতে অনেক সময় নিরীহ মানুষও গুলীর শিকার হন। তারা দাবি করেন, গ্রেফতারের পরিবর্তে গুলী চালানোর ঘটনা উদ্বেগজনক। বিশ্লেষকরা বলছেন, সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আগের একাধিক বৈঠক ও প্রতিশ্রুতি থাকলেও বাস্তবে তার কার্যকর বাস্তবায়ন হয়নি। তাদের মতে, মানবাধিকার ও নিরাপত্তা উভয়ই নিশ্চিত করতে কূটনৈতিক উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন। এদিকে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনা এবং পুশ-ইন বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।