Dhaka বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রচণ্ড গরমে তালের শাঁসে স্বস্তি

সাহিত্যপাতা
  • প্রকাশের সময় ০৫:০৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • / ১০৩ বার দেখা হয়েছে

প্রচণ্ড গরমে যখন জনজীবন অতিষ্ঠ, তখন স্বস্তির এক সহজ উৎস হয়ে উঠেছে তালের শাঁস। তীব্র রোদ আর ভ্যাপসা গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে মানুষ এখন ঝুঁকছে প্রাকৃতিক এই সুস্বাদু ফলের দিকে। সাতক্ষীরার কলারোয়া থানার গেটের সামনে প্রতিদিন বসছে তালের শাঁসের অস্থায়ী দোকান, যেখানে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দেখা মিলছে ক্রেতাদের ভিড়। মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায়, রাস্তার পাশে বসে বিক্রেতারা কাঁচা তাল কেটে শাঁস বের করছেন এবং সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন। গরমে ক্লান্ত পথচারী, শ্রমজীবী মানুষ, রিকশাচালকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বস্তির আশায় তালের শাঁস কিনে খাচ্ছেন। একজন বিক্রেতা বলেন, “এবার গরম অনেক বেশি। তাই মানুষ ঠান্ডা জাতীয় খাবারের দিকে ঝুঁকছে। প্রতিদিন আগের চেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রায় বিরতিহীনভাবে ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে।” স্থানীয় কয়েকজন ক্রেতা জানান, তালের শাঁস শুধু স্বাদেই ভালো নয়, এটি শরীর ঠান্ডা রাখতেও কার্যকর। গরমে পানিশূন্যতা কমাতে এবং ক্লান্তি দূর করতে এটি বেশ উপকারী। প্রচণ্ড দাবদাহের এই সময়ে তালের শাঁস যেন সাধারণ মানুষের কাছে এক টুকরো স্বস্তি হয়ে উঠেছে। আর শহরের ব্যস্ত সড়কের পাশে বসে থাকা এসব বিক্রেতার মুখেও তাই ফুটে উঠছে স্বস্তির হাসি।

সম্পর্কিত

মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Abdur Rahman

একটি সৃজনশীল সাহিত্য পত্রিকা

এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিন

প্রচণ্ড গরমে তালের শাঁসে স্বস্তি

প্রকাশের সময় ০৫:০৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

প্রচণ্ড গরমে যখন জনজীবন অতিষ্ঠ, তখন স্বস্তির এক সহজ উৎস হয়ে উঠেছে তালের শাঁস। তীব্র রোদ আর ভ্যাপসা গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে মানুষ এখন ঝুঁকছে প্রাকৃতিক এই সুস্বাদু ফলের দিকে। সাতক্ষীরার কলারোয়া থানার গেটের সামনে প্রতিদিন বসছে তালের শাঁসের অস্থায়ী দোকান, যেখানে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দেখা মিলছে ক্রেতাদের ভিড়। মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায়, রাস্তার পাশে বসে বিক্রেতারা কাঁচা তাল কেটে শাঁস বের করছেন এবং সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন। গরমে ক্লান্ত পথচারী, শ্রমজীবী মানুষ, রিকশাচালকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বস্তির আশায় তালের শাঁস কিনে খাচ্ছেন। একজন বিক্রেতা বলেন, “এবার গরম অনেক বেশি। তাই মানুষ ঠান্ডা জাতীয় খাবারের দিকে ঝুঁকছে। প্রতিদিন আগের চেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রায় বিরতিহীনভাবে ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে।” স্থানীয় কয়েকজন ক্রেতা জানান, তালের শাঁস শুধু স্বাদেই ভালো নয়, এটি শরীর ঠান্ডা রাখতেও কার্যকর। গরমে পানিশূন্যতা কমাতে এবং ক্লান্তি দূর করতে এটি বেশ উপকারী। প্রচণ্ড দাবদাহের এই সময়ে তালের শাঁস যেন সাধারণ মানুষের কাছে এক টুকরো স্বস্তি হয়ে উঠেছে। আর শহরের ব্যস্ত সড়কের পাশে বসে থাকা এসব বিক্রেতার মুখেও তাই ফুটে উঠছে স্বস্তির হাসি।