ঢাকা: নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রত্যন্ত একটি গ্রামে বন্দুকধারীদের হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৬২ জনে পৌঁছেছে। দেশটির জাতীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। মঙ্গলবার (২৭ নঅক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়। খবর আল জাজিরার।
তারাবা রাজ্যের বিন্নারি গ্রামে গত শুক্রবার এ হামলার ঘটনা ঘটে। জাতীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থার রাজ্যপ্রধান লাদান আয়ুবা মঙ্গলবার জানান, হামলার কারণে হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের নাইজেরিয়া শাখার তথ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা গ্রামের বাড়িঘর, দোকানপাট, খাদ্যসামগ্রী ও মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।
হামলায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। তারাবা পুলিশের মুখপাত্র ভিক্টর শেলিজা বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেন, উদ্ধারকর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এখনো ঘটনাস্থলে রয়েছেন। আরও মরদেহ উদ্ধার হলে সেগুলো নিহতের মোট সংখ্যার হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
নাইজেরিয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই নিরাপত্তা সংকট চলছে। ১৫ বছরেরও বেশি আগে সশস্ত্র গোষ্ঠী বোকো হারাম সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু করার পর দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে সশস্ত্র ডাকাতদের হামলায় সাধারণ মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন। এ ছাড়া মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে অপহরণের ঘটনাও ঘটছে।
আটক ৩৭ খনিশ্রমিকের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তদন্তে যা জানা গেলোআটক ৩৭ খনিশ্রমিকের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তদন্তে যা জানা গেলো
এক বিবৃতিতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল নাইজেরিয়া বলেছে, বেসামরিক মানুষকে রক্ষায় কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ অপর্যাপ্ত। বিবৃতিতে বলা হয়, উত্তরের কিছু অংশে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে নাইজেরীয় কর্তৃপক্ষ বন্দুকধারীদের দয়ার ওপর ছেড়ে দিচ্ছে, যারা বারবার দায়মুক্তি নিয়ে নৃশংসতা চালাচ্ছে।
সংস্থাটি আরও বলে, এ হামলার নিরপেক্ষ তদন্ত হতে হবে এবং বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। কর্তৃপক্ষের দিক থেকে এসব ভয়াবহ হামলার নিন্দা জানিয়ে গতানুগতিক বিবৃতি দেওয়াই যথেষ্ট নয়।
নাইজেরিয়ায় অনেক সশস্ত্র গোষ্ঠী অবৈধ খনি এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে। এসব কার্যক্রমের মুনাফায় তারা আরও অস্ত্র কিনতে ও সদস্য নিয়োগ করতে পারছে, ফলে তাদের ক্ষমতা বেড়েছে।
ইনস্টিটিউট ফর সিকিউরিটি স্টাডিজের (আইএসএস) মতে, এ পরিস্থিতির কারণে সারা দেশে ও বৃহত্তর সাহেল অঞ্চলে অস্ত্র চোরাচালান ও সহিংসতা বেড়েছে।
সাহিত্যপাতা 










































