শিরোনাম
বসন্তের জয়গান
আজি বসন্তে সুখের ভেলায় মন শুধু হারিয়ে যায় প্রকৃতির মেলায়, ফুলে ফুলে সেজেছে বসুন্ধরায় শিমুল, পলাশ আর কৃঞ্চচূড়ায়। ফাগুনের এ
স্বদেশের দুশমন
রক্তের দামে কেনা আমার স্বপ্নের স্বাধীনতা লাখো প্রানে অর্জন সে, নয়কো লৌকিকতা। স্বাধীনতা কিনতে গিয়ে দেশটা ভাসে বন্যায় রাক্ষুসের অত্যাচারে
যাদুকাটার কান্না: বালু-দস্যুর থাবা
নীল আকাশের মায়া মাখা যাদুকাটার কূল, লোভের আগুন পুড়ছে দেখো শিমুল পলাশ ফুল। স্বচ্ছ জলের নদীটি আজ ঘোলাটে আর মরা,
ভাগ্যের সন্ধান
সন্ধানী কৃষক মাটির গভীরে করে ফসলের সন্ধান? লাঙ্গলের ফলায় জমির বুকে এঁকে ভাগ্যরেখা। কন্যার পিতা আপন মেয়ের ভাগ্য খোঁজে বরের
রক্তে রাঙানো মার্চ
রক্তে রাঙানো মার্চ আসে ঝড়ের মতো, বজ্রের মতো স্মরণ করিয়ে দেয় সেই অগ্নিদগ্ধ প্রভাত, যখন বুকের রক্তে লিখেছিল মানুষ স্বাধীনতার
ফিরে এসো নীড়ে
তুমি ফিরে এসো ফিরে এসো শরতের কাশফুল হয়ে ফিরে এসো শিশিরভেজা ঘাস হয়ে কিংবা বৃষ্টি ভেজা ভোর হয়ে। তুমি ফিরে
প্রণয়কাব্য
প্রেয়সির সে রঙিন কাঁচের চুড়ির টুংটাং আওয়াজ দিনভর আলোড়িত করে হৃদয়ের গহিন প্রাকোষ্ঠ বসন্ত আসে মনে ক্ষুদ্র মূহুর্ত থেকে আলোকবর্ষে
তুমি বিপ্লবী বীর
অন্যায়ের বিরুদ্ধে জ্বালাময়ী কণ্ঠ তুমি বিপ্লবী বীর, রাজপথ কাঁপানো বারুদ সন্তান তুমি করোনি নতশির। কণ্ঠে তোমার ইনসাফের বুলি বিশ্বে ফেলেছে
অমিল
হায়, অমিলের শহরে আমি, চুপচাপ ভিড়ের মাঝে হারাই। অচেনা মুখ, ফ্যাকাশে আলো, শূন্যতার ছায়ায় নিজেকে পাই। প্রতিটি পথ নিঃসঙ্গ ও
কবির দায়বদ্ধতা
কবিতা তো শুধু শব্দ নয়, এক অবরুদ্ধ আত্মার মুক্তি, অন্যায়ের আঁধারে জ্বলে ওঠা, এক চিরন্তন যুক্তি। কবির কবিতা কোনো সস্তা



















