সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় সরকারের দৃঢ় অবস্থান: প্রধানমন্ত্রী
- প্রকাশের সময় ০৫:১৬:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
- / ৩৩ বার দেখা হয়েছে
ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, তাঁর সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে এবং সে অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)-এর সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি নিয়মিত পত্রিকা পড়েন এবং টেলিভিশন দেখেন। গণমাধ্যমে দেশের যে চিত্র উঠে আসে, সে বিষয়ে তিনি খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ধৈর্য সহকারে নোয়াব সদস্যদের বক্তব্য শোনেন এবং ভবিষ্যতে নির্দিষ্ট সময় পরপর এ ধরনের মতবিনিময় সভা আয়োজনের আশ্বাস দেন।
বৈঠকের শুরুতে নোয়াবের সভাপতি ও দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। তিনি সংবাদপত্র শিল্পের বিদ্যমান সমস্যা তুলে ধরে সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন।
নোয়াব সদস্যরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। তারা ২০০১ সালে বিএনপি সরকারের সময় সংবাদপত্রকে শিল্প হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন এবং বর্তমানে এ খাতকে ‘রুগ্ন শিল্প’ হিসেবে চিহ্নিত করেন।
বিগত সরকারগুলোর আমলে বিপুল পরিমাণ সরকারি বিজ্ঞাপন বিল বকেয়া রয়েছে উল্লেখ করে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চান নোয়াব নেতারা। পাশাপাশি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহার এবং গ্রেপ্তারকৃত সাংবাদিকদের জামিনের বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী তিন মাস পরপর সরকার ও সংবাদপত্র মালিকদের মধ্যে নিয়মিত বৈঠকের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
দুপুর ২টা ২০ মিনিটে শুরু হওয়া বৈঠকটি শেষ হয় বিকেল সাড়ে ৩টায়। পরে প্রধানমন্ত্রী নোয়াব সদস্যদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন এবং গ্রুপ ছবি তোলেন। বিএনপি সরকার গঠনের পর নোয়াবের সঙ্গে এটি প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক। বৈঠকে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া নোয়াবের সহ-সভাপতি এএসএম শহীদুল্লাহ খান, কোষাধ্যক্ষ আলতামাশ কবির, সদস্য এ কে আজাদ, মতিউর রহমান, মাহফুজ আনাম, এএমএম বাহাউদ্দীন, দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, মোজাম্মেল হক, ডা. রমীজউদ্দিন চৌধুরী এবং নাসিম মনজুর বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।






















