Dhaka বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ছড়া/ কবিতা

কী যে চাওয়া কী যে পাওয়া

নিঃসঙ্গতা জ্বেলে জ্বেলে অন্ধকারে পথ চলে কবি নৈঃসঙ্গ্যই তার ধ্যান আরাধনা সাধনার সিদ্ধি ও সুন্দর! একাকিত্ব, নিঝুম রোদন শিল্পতৃষ্ণা একবুক

নিঃশেষ অভিসার

চন্দনা চক্রবর্তী নিভৃত নিশীথে কাঁপে নীরবতার বাঁশি, অন্তর অরণ্যে জাগে অচেনা উদাসী। তোমারই স্মৃতিরা জড়ায়ে গোপন ব্যথা, চৈতন্যের কোণে বাজে

ছন্দ হারিয়ে গেছে 

মহসিন আলম মুহিন  ছন্দ আর কেমনে বলো ফেরে, কান্ড দেখে মাথাই শুধু ঘোরে। কাঁটা দিয়ে মোড়া সবার শরীর, দেখে দেখে

চৈত্র দিনে

প্রেয়সী তোমার ইচ্ছাতে মিশাবো সাত রং কৃষ্ণচুড়ার রক্তিম রঙে রাঙাবো প্রিয় মন। শুভ্র সাদা সজনে ফুলের ঘ্রাণ দেবে এনে খুশিতেই

বসন্তের জয়গান

আজি বসন্তে সুখের ভেলায় মন শুধু হারিয়ে যায় প্রকৃতির মেলায়, ফুলে ফুলে সেজেছে বসুন্ধরায় শিমুল, পলাশ আর কৃঞ্চচূড়ায়। ফাগুনের এ

স্বদেশের দুশমন

রক্তের দামে কেনা আমার স্বপ্নের স্বাধীনতা লাখো প্রানে অর্জন সে, নয়কো লৌকিকতা। স্বাধীনতা কিনতে গিয়ে দেশটা ভাসে বন্যায় রাক্ষুসের অত্যাচারে

যাদুকাটার কান্না: বালু-দস্যুর থাবা

নীল আকাশের মায়া মাখা যাদুকাটার কূল, লোভের আগুন পুড়ছে দেখো শিমুল পলাশ ফুল। স্বচ্ছ জলের নদীটি আজ ঘোলাটে আর মরা,

ভাগ্যের সন্ধান

সন্ধানী কৃষক মাটির গভীরে করে ফসলের সন্ধান? লাঙ্গলের ফলায় জমির বুকে এঁকে ভাগ্যরেখা। কন্যার পিতা আপন মেয়ের ভাগ্য খোঁজে বরের

রক্তে রাঙানো মার্চ

রক্তে রাঙানো মার্চ আসে ঝড়ের মতো, বজ্রের মতো স্মরণ করিয়ে দেয় সেই অগ্নিদগ্ধ প্রভাত, যখন বুকের রক্তে লিখেছিল মানুষ স্বাধীনতার

ফিরে এসো নীড়ে

তুমি ফিরে এসো ফিরে এসো শরতের কাশফুল হয়ে ফিরে এসো শিশিরভেজা ঘাস হয়ে কিংবা বৃষ্টি ভেজা ভোর হয়ে। তুমি ফিরে