শিরোনাম
শর্তহীন সম্মতি
বিপুল চন্দ্র রায় অন্তরেতে প্রেমের উদাস শর্তহীন সম্মতির কাল, তুমি হাত বাড়িয়েছিলে শুধু আমি সঁপেছিলাম মন। শ্বাসের সিলমোহর ছুঁয়েছিল আমাদের
মনভাঙ্গা
চন্দনা চক্রবর্তী আজ ভেতরের নদী জুড়ে জাগে নিঃশব্দ ভাঙন, চোখের নিচে জমে থাকে অনিদ্রার আয়োজন। বুকের ভেতর ক্লান্ত পাখি ডানা
ভাঙা গড়া
চন্দনা চক্রবর্তী ভাঙা পথে হাঁটি আমি, গড়ার স্বপ্ন বুকে, হঠাৎ ঝড়ে ভেঙে যায় সবকিছু এক ঝটকে। ইট সাজিয়ে গড়ি ঘর,
অগ্নিবীণার কবি
অগ্নিবীণার তানে জাগালে সুপ্ত প্রাণ, ধূমকেতু সম উল্কায় হানিলে ব্যবধান। শিকল ভাঙার গানে বাজিলে রণতূর্য, অন্যায়ের তিমিরে তুমি এক দীপ্ত
রাজা আর কবি
রাজা বসে সিংহাসনে, গোঁফে দিলেন টান, কবির হাতে কাগজ দেখে নড়লো সবার প্রাণ। কবি বলে মহারাজ, লিখেছি নতুন গান, রাজা
ভোর
মেঘ যদি ঢাকে সূর্যালোকের খ্যাতি অন্ধকারের ঠোঁটে হেসে থাকে আলো মেঘমল্লারে স্বপ্নে বিষাদ মেখে উত্তাল নদে স্নান সেরে নেবে শীতে;
কাঁঠাল
জাতীয় ফল কাঁঠাল স্বভাব তার আঠাঁল, পুষ্টি গুণে ভরপুর অধিক জন্মে গাজীপুর। হলুদ রঙের সুমিষ্ট কাঁঠাল সর্বত্র পরিদৃষ্ট, পাতা ফুল
নিস্তব্ধতার অন্তর্বৃত্ত
চন্দনা চক্রবর্তী নিভৃত শহর, নীরব পথ, ক্লান্ত দিনের ছায়া, মনের মাঝে জমে থাকে অজানা এক মায়া। চলতে গিয়ে থেমে যাই
শ্রমিকের সম্মান
যাদের রক্ত ঘামে ভিজে আজকের এ সভ্যতা আমরা তাদের ছোট করে দেইনা প্রাপ্য সম্মান যুগে যুগে সভ্যতা সকল তাদেরই শ্রমের
শেষ চুম্বন
শেষ চুম্বন বুকে, গালে নিজের মতো করে দিয়েছে কিন্তু চুম্বনে সাড়া পায়নি স্ত্রী হীরা। নিথর দেহে স্বামী বুলেট টের পেয়েছে

















