Dhaka মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ছড়া/ কবিতা

স্মৃতির মণিকোঠায় বাবা

বিপুল চন্দ্র রায় নগেন দেওয়ানীর সন্তান তিনি, এক রাজকপালী,সুখ আর ধনে কেটেছে দিন যে, হেসে-খেলে খালি। নাম তাঁর রজনী! দেওয়ানীর

জুলাই জাগরণ

মোঃ সৈয়দুল ইসলাম জুলাই মানে, জাগরণ জুলাই মানে, নতুন দিগন্তের দ্বার উন্মোচন। জুলাই মানে, নতুন করে বাঁচা জুলাই মানে, চাইনা

আমার বাংলাদেশ

মোঃ সৈয়দুল ইসলাম আমার দেশ বাংলাদেশ মা’র আঁচলের মতো, তরুলতার ছায়াতলে রাখে অবিরত। আমার দেশটি রক্তে কেনা জানে জগতবাসী, লাল

বাদলা হাওয়া

​রিমঝিমিয়ে বৃষ্টি নামে আকাশ জুড়ে মেঘ, ব্যাঙের ছাতা মাথায় নিয়ে বাড়ছে খুশির বেগ। ​পাতার ফাঁকে উঁকি দিয়ে কদম ফুলের মেলা,

হারানো নদীর মোহনায় 

আসাদুজ্জামান খান মুকুল  হারানো নদীর মোহনায় ​সন্ধ্যাতারাটা জ্বলছে আজ বড্ড অচেনা, অনেকটা দূরে, গোধূলির বাতাসে তোমার নামটা সুর হয়ে বাজে

ভাবনার বাস্তবতা

শহীদুল্লা হক ভূইয়া মনটা আমার যা চায় তা শুধু কল্পনার রাজ্যে বিচরণ করে, আবার যখন বাস্তবতা হয়ে ওঠে তখন সেটা

“অদৃশ্য জীবনের গল্প”

ইমদাদুল হক মিলন  খালি চোখে দেখা যায় না, তবু আছে চারপাশে, মাইক্রোঅর্গানিজম বাঁচে নীরব নিজের আশে। কখনো তারা বন্ধু হয়ে

পল্লী প্রকৃতি

নদীর বাঁকে হিজল তলায় নিঝুম দুপুর বেলা, জলতরঙ্গে ভাসিয়ে দিতাম শৈশবের সব খেলা। ডিঙি নৌকা স্থির দাঁড়িয়ে ওই নালাটির বুকে,

টাপুর টুপুর বর্ষা এলো

আসাদুজ্জামান খান মুকুল ঝরঝরিয়ে নামছে বৃষ্টি, তারই ছন্দে জুড়ায় দৃষ্টি, জাগে বর্ষার মায়া, গাছের শাখে সবুজ পাতা, মেলছে যেন নতুন

পাপের বিনাশ

চন্দনা চক্রবর্তী পাপের প্রাসাদ যতই ওঠে অহংকারের চূড়ায় সত্য এসে ভেঙে দেয় তা সময়েরই ঘূর্ণায়, অন্যায়ের কালো মেঘে ঢাকে যদি