বাংলাদেশ 4:00 pm, Friday, 23 October 2026
[gtranslate]

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর গভীর শ্রদ্ধা

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী লেখেন, বাংলা সাহিত্যের মহোত্তম কণ্ঠস্বর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই এবং তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি। তিনি আরও বলেন, কাব্য, সংগীত, গল্প, উপন্যাস, নাটক ও চিত্রকলার মাধ্যমে মানবতা, প্রেম, প্রকৃতি ও শান্তির জয়গান গেয়ে তিনি বিশ্বসাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। জাতীয় জীবনে রবীন্দ্রনাথের অবদান তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেন, মুক্তিযুদ্ধে তাঁর গান প্রেরণার উৎস ছিল এবং “আমার সোনার বাংলা” আমাদের জাতীয় সংগীত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার অর্জনের মাধ্যমে তিনি প্রথম এশীয় হিসেবে বিশ্বসাহিত্যে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি লাভ করেন। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ, সংঘাত ও অশান্তির প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথের মানবতাবাদী চিন্তা আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। শেষে তিনি রবীন্দ্র জন্মবার্ষিকীর আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সম্পাদক

Abdur Rahman

একটি সৃজনশীল সাহিত্য পত্রিকা
জনপ্রিয়

এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিন

এনসিপিতে ৬ নারী পেলেন যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর গভীর শ্রদ্ধা

প্রকাশ 05:45:55 pm, Thursday, 7 May 2026

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী লেখেন, বাংলা সাহিত্যের মহোত্তম কণ্ঠস্বর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই এবং তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি। তিনি আরও বলেন, কাব্য, সংগীত, গল্প, উপন্যাস, নাটক ও চিত্রকলার মাধ্যমে মানবতা, প্রেম, প্রকৃতি ও শান্তির জয়গান গেয়ে তিনি বিশ্বসাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। জাতীয় জীবনে রবীন্দ্রনাথের অবদান তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেন, মুক্তিযুদ্ধে তাঁর গান প্রেরণার উৎস ছিল এবং “আমার সোনার বাংলা” আমাদের জাতীয় সংগীত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার অর্জনের মাধ্যমে তিনি প্রথম এশীয় হিসেবে বিশ্বসাহিত্যে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি লাভ করেন। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ, সংঘাত ও অশান্তির প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথের মানবতাবাদী চিন্তা আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। শেষে তিনি রবীন্দ্র জন্মবার্ষিকীর আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।