শুষ্ক আবহাওয়া, ঠান্ডা বাতাস কিংবা শরীরে পানির ঘাটতির কারণে ঠোঁট শুষ্ক ও খসখসে হয়ে যেতে পারে। এ সমস্যা থেকে স্বস্তি পেতে ঘরেই তৈরি করতে পারেন বাদাম তেল, নারিকেল তেল ও মৌমাছির মোম দিয়ে তৈরি লিপ বাম। এসব উপাদান ঠোঁট নরম রাখতে এবং আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।
ঠোঁটের আর্দ্রতা ধরে রাখে: নারিকেল তেল ও বাদাম তেল ঠোঁটের শুষ্কতা কমিয়ে নরম রাখতে সাহায্য করে। মৌমাছির মোম ঠোঁটের ওপর সুরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে আর্দ্রতা হারানো কমাতে পারে।
ফাটা ঠোঁটে স্বস্তি দেয়: নিয়মিত লিপ বাম ব্যবহার করলে ঠান্ডা বাতাস ও শুষ্ক পরিবেশের কারণে ঠোঁট ফেটে যাওয়ার প্রবণতা কমতে পারে।
ঠোঁট রাখে মসৃণ: ঠোঁটে আর্দ্রতা বজায় থাকলে খসখসে ভাব কমে এবং ঠোঁট তুলনামূলক মসৃণ দেখায়। তবে এটি ঠোঁটের স্বাভাবিক রং পরিবর্তন বা কালচে দাগ দূর করার নিশ্চিত উপায় নয়।
যেভাবে তৈরি করবেন
ঘরে লিপ বাম তৈরি করতে প্রয়োজন হবে এক চা-চামচ বাদাম তেল, এক চা-চামচ নারিকেল তেল এবং এক চা-চামচ মৌমাছির মোমের দানা।
প্রথমে একটি তাপসহনীয় বাটিতে তিনটি উপাদান নিন। এরপর ফুটন্ত পানির ওপর বাটিটি রেখে হালকা তাপে উপাদানগুলো গলিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। সরাসরি আগুনে গরম করবেন না। মিশ্রণটি পরিষ্কার ও শুকনো ছোট পাত্রে ঢেলে ঠান্ডা হতে দিন। জমে গেলে ঢাকনা বন্ধ করে ঠান্ডা ও শুকনো স্থানে রাখুন।
লিপ বাম বেশি শক্ত হলে পরেরবার মোমের পরিমাণ কিছুটা কমানো যায়। আর বেশি নরম হলে সামান্য মোম বাড়ানো যেতে পারে।
ব্যবহারের নিয়ম ও সতর্কতা
ঠোঁট শুষ্ক মনে হলে অল্প পরিমাণ লিপ বাম লাগান। বিশেষ করে মুখ ধোয়ার পর ও রাতে ঘুমানোর আগে ব্যবহার করতে পারেন। বাইরে গেলে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে সুরক্ষার জন্য এসপিএফযুক্ত লিপ বাম বেছে নেওয়া ভালো।
ঠোঁট বারবার চাটা, কামড়ানো কিংবা উঠে যাওয়া চামড়া টেনে তোলা থেকে বিরত থাকুন। এতে শুষ্কতা ও জ্বালাপোড়া বাড়তে পারে।
মনে রাখবেন, প্রাকৃতিক উপাদানও অ্যালার্জি সৃষ্টি করতে পারে। বাদামে অ্যালার্জি থাকলে বাদাম তেল ব্যবহার করবেন না। নতুন লিপ বাম ব্যবহারের আগে ত্বকের ছোট জায়গায় পরীক্ষা করে নিন। ঠোঁট দীর্ঘদিন ধরে ফাটলে, রক্তপাত হলে বা ঘা তৈরি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Reporter Name 












































