বাংলাদেশ 11:09 pm, Friday, 23 October 2026
[gtranslate]

অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

সাতক্ষীরার ভোমরায় তাসলিমা খাতুন (৩৬) নামে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর তাঁর স্বামী সাদ্দাম হোসেন পলাতক রয়েছেন। শনিবার (১৬ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের লক্ষ্মীদাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তাসলিমা খাতুন দেবহাটা উপজেলার উত্তর বহেরা গ্রামের নুরুজ্জামানের মেয়ে। তিনি স্বামী সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে ভোমরা ইউনিয়নের লক্ষ্মীদাড়ি গ্রামে স্বামীর নানার বাড়িতে বসবাস করতেন। তাঁদের এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাদ্দাম হোসেন পেশায় রাজমিস্ত্রী। সম্প্রতি সংসারে আর্থিক সংকট দেখা দেয়। এ অবস্থায় তাসলিমা তাঁর বাবার বাড়ি থেকে একটি ছাগল এনে পালন করছিলেন। পরে সেই ছাগলটি স্ত্রীকে না জানিয়ে বিক্রি করে দেন সাদ্দাম। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

শনিবার রাতে ছেলে ও মেয়েকে পাশের একটি ঘরে আটকে রেখে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া ও মারামারি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যরা ঘরের মেঝেতে তাসলিমার গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়দের খবর দেন। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে রাতেই সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত স্বামীকে আটকের জন্য অভিযান চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সম্পাদক

Abdur Rahman

একটি সৃজনশীল সাহিত্য পত্রিকা
জনপ্রিয়

এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিন

নাগরিক কবি শামসুর রাহমানের ৯৮তম জন্মদিন আজ

অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

প্রকাশ 04:57:53 am, Sunday, 17 May 2026

সাতক্ষীরার ভোমরায় তাসলিমা খাতুন (৩৬) নামে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর তাঁর স্বামী সাদ্দাম হোসেন পলাতক রয়েছেন। শনিবার (১৬ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের লক্ষ্মীদাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তাসলিমা খাতুন দেবহাটা উপজেলার উত্তর বহেরা গ্রামের নুরুজ্জামানের মেয়ে। তিনি স্বামী সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে ভোমরা ইউনিয়নের লক্ষ্মীদাড়ি গ্রামে স্বামীর নানার বাড়িতে বসবাস করতেন। তাঁদের এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাদ্দাম হোসেন পেশায় রাজমিস্ত্রী। সম্প্রতি সংসারে আর্থিক সংকট দেখা দেয়। এ অবস্থায় তাসলিমা তাঁর বাবার বাড়ি থেকে একটি ছাগল এনে পালন করছিলেন। পরে সেই ছাগলটি স্ত্রীকে না জানিয়ে বিক্রি করে দেন সাদ্দাম। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

শনিবার রাতে ছেলে ও মেয়েকে পাশের একটি ঘরে আটকে রেখে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া ও মারামারি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যরা ঘরের মেঝেতে তাসলিমার গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়দের খবর দেন। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে রাতেই সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত স্বামীকে আটকের জন্য অভিযান চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।